আর্টিকেল লেখার সঠিক নিয়ম ২০২৬


আর্টিকেল লেখার সঠিক নিয়ম কেন জানতে হবে ? ডিজিটাল মার্কেটিং এর দুনিয়ায় সফলতা পাওয়ার মূলেই রয়েছে ভালো কনটেন্ট। কনটেন্টের অবিচ্ছেদ্য অংশই হলো আর্টিকেল। পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হলে অবশ্যই আমাদের আর্টিকেল লেখার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে।

তবে আর্টিকেল লেখা সহজ বিষয় না, এর জন্য আমাদের অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে হয়। আর্টিকেল লেখা একটি আর্টের মত, যে ব্যক্তি নিজের জ্ঞানকে অন্যের সামনে পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে উপস্থাপন করতে পারে একমাত্র সেই ব্যক্তিই ভালো কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা আর্টিকেল রাইটার হতে পারে।


পেইজ সূচিপত্রঃ আর্টিকেল লেখার সঠিক নিয়ম



আর্টিকেল লেখার সঠিক নিয়ম

প্রতিটা কাজেরই যেমন নিয়ম থাকে, তেমনি আর্টিকেল লেখার কিছু নিয়ম রয়েছ। পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করায় এবং আর্টিকেল টি মানুষের কাছে জনপ্রিয় করতে হলে অবশ্যই সে নিয়ম গুলো অনুসরণ করতে হবে। আর্টিকেলটির বিষয়বস্তু এবং কথাগুলো অনেক ভালো মানের হওয়ার শর্তেও আর্টিকেলটি লেখার ধরন এবং ফরমেটিং সঠিক না হওয়ার কারণে তা পাঠকের বৃষ্টির বাইরে চলে যেতে পারে। সুতরাং আর্টিকেল লেখার সময় আমাদের অবশ্যই আর্টিকেলে বর্ণিত তথ্যের পাশাপাশি আর্টিকেলের গঠন এবং ফরমেটিং এর দিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

এই আর্টিকেলে আমরা জানবো আমরা কিভাবে পাঠকদের জন্য তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সংক্ষেপে ও সহজ ভাষায় একটি পরিষ্কার আর্টিকেল উপস্থাপন করতে পারি। সঠিক তথ্য ব্যবহার করে মানসম্পন্ন আর্টিকেল লিখতে যে সকল বিষয়গুলোর দিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হয় সে সকল বিষয়গুলোই আমরা এখানে স্টেপ বাই স্টেপ জানব এবং আরো জানবো আর্টিকেল লেখার সময় আমাদের যে বিষয়গুলি এড়িয়ে চলতে হবে। আশা করা যায় এই আর্টিকেলটি আপনাকে একটি সকল আর্টিকেল রাইটার হতে সাহায্য করবে।

আর্টিকেলের বিষয়বস্তু নির্ণয়

যেকোনো আর্টিকেল লেখার পূর্বে আমরা কোন বিষয়ে আর্টিকেলটি লিখব তা নির্ণয় করতে হয়, অপ্রয়োজনীয় বা অহেতুক বিষয়ে আর্টিকেল লেখার কোন অর্থ হয় না, আর্টিকেল অবশ্যই এমন বিষয় লিখতে হবে যেন তা পাঠকের কাজে লাগে অথবা তার দৈনিক সমস্যার সমাধান হয়। সুতরাং আর্টিকেলের বিষয়বস্তু নির্ণয়ের শ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে প্রথমে সমস্যা খুঁজে বের করা এবং তারপর সে বিষয়ে সমাধান খুঁজে ওই বিষয়ে আর্টিকেল লেখা। এভাবে আর্টিকেল লিখলে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করা সম্ভব।


উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, আর্টিকেল লেখার জন্য এখন সবচেয়ে ভালো নিস হচ্ছে যে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল, কারণ বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি কাজ অনলাইনে হয়ে থাকে এবং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে যেয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন এবং সমস্যার সৃষ্টি হয়, আমরা আমাদের আর্টিকেলের মাধ্যমে এই ধরনের সমস্যার সুষ্ঠ সমাধান দিয়ে আমাদের পাঠকদের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার সমাধানে সাহায্য করতে পারি।

আর্টিকেল লেখার জন্য উপযুক্ত কিওয়ার্ড নির্ণয়

অনেকেই জানে না কিওয়ার্ড জিনিসটা কি, আমরা যেকোনো কিছু খুঁজে পেতে গুগলের সার্চ বারে যে শব্দ বা বাক্যটা লিখে সার্চ করি তাকেই কিওয়ার্ড বলা হয়। সুতরাং কিওয়ার্ড অবশ্যই এমন হতে হবে যা সম্পূর্ণ বিষয়বস্তুর প্রতিনিধিত্ব করবে এবং মানুষ তা লিখে সার্চ দিবে। আমরা যদি আমাদের আর্টিকেলে ভুল কিওয়ার্ড ব্যবহার করি অর্থাৎ আমাদের আর্টিকেলটি একটি বিষয়ে এবং আমরা এমন কিওয়ার্ড ব্যবহার করেছি যা অন্য বিষয়কে উপস্থাপন করছে তাহলে পাঠক কাঙ্খিত আর্টিকেলটি খুঁজে পেতে অস্বক্ষম হবে।

কীওয়ার্ডক প্রধানত দুই ধরনের হয়। প্রথমটি হল শর্ট টেল কিবোর্ড এবং দ্বিতীয় টি হল লং টেল কিওয়ার্ড। যে সকল কিওয়ার্ড এ  দুই থেকে তিনটি শব্দ থাকে তাকে শর্ট টেল কিওয়ার্ড বলা হয় এবং যেখানে তিনটির থেকে বেশি শব্দ থাকে তাকে লং টেল কিওয়ার্ড বলা হয়। তাই বলে কিওয়ার্ড ইচ্ছা মতো বড় করা যাবে না এটা সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে আট শব্দের মধ্যে হতে হবে, যেন পাঠক তা সহজে খুঁজে পায়। তবে আমাদের উচিত সব সময় লং টেল কিওয়ার্ড ব্যবহার করা।

আর্টিকেল বিষয়ক তথ্য সংগ্রহের উৎস

কিওয়ার্ড নির্ণয়ের পর এখন প্রশ্ন আসে, আমরা যে বিষয়ে থেকে আর্টিকেল লিখব বা লিখতে চাচ্ছি সেই বিষয়ক জ্ঞান বা বিস্তারিত তথ্য কোথায় পাব। আর্টিকেল লেখার তথ্যভাণ্ডার হিসেবে আমরা অন্যান্য আর্টিকেলগুলি ব্যবহার করতে পারি। আমরা যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখতে চাচ্ছি সেই বিষয়ে google এ বা যে কোন ব্রাউজারে সার্চ করে সেখানে টপ রেংকিংয়ে থাকা অন্যান্য ১০ থেকে ১৫ টি আর্টিকেল পড়ে সে বিষয়ক জ্ঞান অর্জন করে সকল তথ্যগুলিকে একত্রিত করে আমরা তার সারমর্ম লিখতে পারি।


এভাবে পাঠকের সময় বেঁচে যাবে এবং সে সহজে তার সমস্যার সমাধান খুঁজে পাবে। আর্টিকেল লেখার জন্য আরও তথ্যের প্রয়োজন হলে গুগলের পাশাপাশি আমরা youtube এ ব্যবহার করতে পারি ইউটিউবে উক্ত বিষয়ক ভিডিও দেখে আর্টিফিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে আরো বিস্তারিতভাবে জেনে তা সহজ ভাষায় আমাদের পাঠকের কাছে উপস্থাপন করতে পারি। অবশ্যই আর্টিকেল লেখার পূর্বে নিজের বুদ্ধিমতা দিয়ে তা যাচাই করে দেখতে হবে আমরা যে তথ্য দিচ্ছি বা ব্যবহার করছি তা সঠিক কিনা, কারণ ভুল তথ্যের ব্যবহার ক্ষতিকর হতে পারে।

সুন্দর ও সহজ ভাষায় উপস্থাপন

আর্টিকেল বিষয়ক উপযুক্ত সকল তথ্য সংগ্রহের পর পালা আসে তাকে সুন্দর ও সহজ ভাষায় উপস্থাপন করার। আমরা আমাদের আর্টিকেলে যে তথ্য বা কথা বলি ব্যবহার করব তা অবশ্যই এমন হতে হবে যা ক পাঠক সহজে বুঝতে পারবে, কথাগুলো হতে হবে ক্লিয়ার এবং সুস্পষ্ট। কথার মধ্যে জটিলতা থাকলে আমরা যা বুঝাতে চাচ্ছি পাঠক তা বুঝতে পারবে না। পাশাপাশি চেষ্টা করতে হবে কথার মধ্যে অত্যাধিক জটিল শব্দ ব্যবহার না করা যেন আমাদের পাঠক স্বাচ্ছন্দ্যে আর্টিকেলটি পড়তে পারে এবং বুঝতে পারে।


কথার মধ্যে স্পষ্টতা না থাকলে ভুল ধারণা সৃষ্টি হতে পারে, এর ফলে উপকার হওয়া যায়গায় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর্টিকেলটি জটিল বা অস্পষ্ট হলে পাঠক তা পড়তে বিরক্তি বোধ করবে। সুতরাং আমরা যখন আর্টিকেল লিখব, আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আমাদের আর্টিকেলটি যেন সুস্পষ্ট এবং সহজ ভাষায় হয়, তাহলে আমাদের আর্টিকেল পড়ে যখন পাঠকরা সহজে তাদের সমস্যার সমাধান পাবে তখন আমাদের আর্টিকেলগুলো মানুষের কাছে আরো বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

আর্টিকেলে স্ক্রিনশট ব্যবহার করা

আমরা যখন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক কোন আর্টিকেল লিখব অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক কোনো সমস্যার সমাধান বা অনলাইনে কোন কিছু করার নিয়ম সম্পর্কে জানিয়ে আমাদের পাঠকদের জন্য আর্টিকেল লিখব, তখন আমাদের উচিত বিভিন্ন জায়গায় স্ক্রিনশট ব্যবহার করা এবং সম্ভব হলে সেই স্ক্রিনশট গুলোকে মার্ক বা চিহ্নিত করে দেওয়া এর ফলে আমরা আমাদের পাঠকদের যেকোনো কিছু সহজে বোঝাতে পারবো এবং তাদেরও বুঝতে সুবিধা হবে।

অনেক সময় দেখা যায় পাঠকরা যখন আর্টিকেলটি পড়ে প্রত্যক্ষভাবে কাজটি করতে যায় তখন সে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয় যেমন সে তার ডিভাইসের স্ক্রিনে কাঙ্খিত তথ্য বা অপশন খুঁজে পায় না। সে ক্ষেত্রে আমরা আমাদের আর্টিকেল এর কিছু কিছু অংশ পড়ে একটি স্ক্রিনশট যুক্ত করলে এবং সেই স্ক্রিনশট গুলোকে সুন্দর করে মার্ক বা চিহ্নিত করে দিলে পরবর্তীতে পাঠকের সে কাজটি করতে বুঝতে সুবিধা হয় তবে আমাদের চেষ্টা করা উচিত আমরা যখন স্ক্রিনশট দিব তখন যে স্থানে আমাদের প্রয়োজনীয় বা সংশ্লিষ্ট তথ্যটি আছে শুধু সেই অংশটুকুর স্ক্রিনশট দেওয়া এর ফলে পাঠক বিভ্রান্ত হবে না এবং সহজে তার প্রয়োজনীয় তথ্য বা অপশন খুঁজে পাবে।

লেখায় স্ট্রাকচার বা গঠন

আমরা যখন কোন একটি বিষয়ে আর্টিকেল লিখব তা অবশ্যই আমাদের সুন্দরভাবে সাজিয়ে লিখতে হবে, অর্থাৎ আর্টিকেলটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে ক্রমানুসারে লিখতে হবে। এর জন্য প্রথমে আমাদের একটি সূচিপত্র তৈরি করতে হবে যেখানে ধাপে ধাপে ক্রমানুসারে আমাদের আর্টিকেল এর বিষয়বস্তুগুলোকে উপস্থাপন করা হবে। তাহলে পাঠক সূচিপত্র পরে বুঝতে পারবে আমাদের আর্টিকেলে কোন কোন বিষয়ে লেখা হয়েছে, এবং এখানে অবশ্যই সিরিয়াল মেন্টেন করতে হবে


যে বিষয়গুলি এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে সে বিষয়গুলির সিরিয়াল সঠিকভাবে মেনটেন না করলে আর্টিকেলটি একদম অগোছালো বলে মনে হবে। এর ফলে গ্রাহক সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়েও একটি পূর্ণ গোছানো ধারণা পাবে না। আর্টিকেলের প্রতিটা বিষয়ের জন্য একটি করে হেডিং থাকতে হবে এবং প্রতিটি হেডিং এর নিচে কমপক্ষে দুইটি করে প্যারা থাকতে হবে, প্রতিটি প্যারায় কমপক্ষে সাড়ে তিন লাইন এবং সর্বোচ্চ পাঁচ লাইন লেখা যাবে। এবং চেষ্টা করতে হবে আমরা যা বুঝাতে চাচ্ছি তা সংক্ষেপে উপস্থাপন করার।

যে সকল বিষয় মাথায় রাখতে হবে

আমরা যে বিষয়ক আর্টিকেল লিখছি তা যেন পাঠকের কাজে লাগে। আমরা যে বিষয়গুলো আর্টিকেলে উপস্থাপন করব সেই তথ্যগুলো অবশ্যই সঠিক হতে হবে। আর্টিকেল লেখার সময় ক্লিয়ারিটি মেইনটেন করতে হবে। সহজ ভাষায় লিখতে হবে। আমরা যা বুঝাতে চাচ্ছি তা সংক্ষেপে পাঠকের কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ আমরা যদি একটি বিষয় নিয়ে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বর্ণনা ব্যাখ্যা দিই তাহলে পাঠক আর্টিকেলটি সম্পন্ন করার ধৈর্য হারাতে পারে।

আমাদের আর্টিকেলটি লেখার সময় সব দিক দিয়ে পাঠকের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আর্টিকেলটি লিখতে হবে। যেন পাঠক আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে সন্তুষ্ট হয় এবং নিজের পরিচিতদের সাথে শেয়ার করে, তাহলে আমাদের আর্টিকেলের পাঠকের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে।। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি লেখার পর অবশ্যই প্রথমে তা নিজে একবার পড়ে দেখতে হবে এতে যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকে তা অবশ্যই সংশোধন করে তারপর তা অনলাইনে পাবলিশ করতে হবে।

যে সকল বিষয়ে এড়িয়ে চলতে হবে

এমন কিছু বিষয় আছে যা আমাদের আর্টিকেলের জন্য ক্ষতিকর। অনেকেই আর্টিকেল লেখার জন্য এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার করে, তবে গুগল আর্টিকেল লেখার জন্য এর অনুমতি দেয় না, কারণ এ আই অনেক সময় ভুল তথ্য দেয় যার ফলে মানুষের ক্ষতি ও হতে পারে এজন্য আর্টিকেল লেখার সময় আমাদের ব্যবহার বাদ দিতে হবে। সরাসরি অন্যের কনটেন্ট কপি করা যাবে না এর ফলে কপিরাইট এর জন্য আমাদের ওয়েবসাইট ব্লক হয়ে যেতে পারে। সুতরাং সব সময় নিজের লেখা কন্টেন্ট বা আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে।

আর্টিকেল লেখার সময় অতিরিক্ত অপ্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আর্টিকেলটি লেখার জন্য অবশ্যই ক্লিয়ার ফন্ট ব্যবহার করতে হবে জটিল ধরনের ফন্ট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। দাড়ি কমা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে, আর্টিকেলে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ইটালিক ফন্ট বা বিভিন্ন ধরনের রং ব্যবহার করা যাবে না। এডাল্ট কনটেন্ট লেখা যাবে না এবং আইনত অবৈধ এমন কোন কনটেন্ট লেখা যাবে না।

লেখকের মন্তব্য

আর্টিকেল লেখা সহজ কাজ নয় একজন সফল আর্টিকেল রাইটার হতে হলে আমাদের অনেক পরিশ্রম করতে হবে, এবং আমরা যখনই কোন বিষয়ে আর্টিকেল লিখব অবশ্যই আমাদের পাঠকের কথা মাথায় রেখে লিখতে হবে কারণ পাঠকের সন্তুষ্টি আমাদের সফলতা নিয়ে আসবে। তাই আমাদের উচিত সবসময় পাঠকদের জন্য উপকারী ও ভালো মানের নির্ভুল কনটেন্ট লেখা।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর্কনিক টেক ২৪ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url